প্রযুক্তি বাংলা

থাকবো না ক বদ্ধ ঘরে

প্রযুক্তি

Type-62 লাইট ট্যাংক

Type-62 লাইট ট্যাংক
.
.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তে ব্যবহৃত একমাত্র লাইট ট্যাংক হচ্ছে এই Type-62 ।
১৯৮৪ সালে এরকম ৩৬টি ট্যাংক চীন থেকে কেনা হয়েছিলো ।
.
এই লাইট ট্যাংকের যা অবস্থা তাতে এটি যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর পরিবর্তে উল্টো শত্রুর অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইলের ভয়ে হার্ট অ্যাটাক করে বসতে পারে ।
.
.
.
১৯৬৩ সালে চীন ২য় প্রজন্মের এই লাইট ট্যাংক তৈরি করে । এটি ৪জন সেনা দ্বারা পরিচালনা করা যায় এবং এর ডিজেল ইঞ্জিন ৪৩০ হর্সপাওয়ারের ।
.
.
Type-62 লাইট ট্যাংক দৈর্ঘ্য ৫.৫৫ মিটার ওজনে ২১ টন । এটি ৬০ কিঃমিঃ গতিবেগে একটানা ৫১০ কিঃমিঃ পর্যন্ত যেতে পারে ।
.
Type-62 লাইট ট্যাংকে মেইন গান ৮৫ মিলিমিটারের রাইফেলড ।
এছাড়া এতে সেকেন্ডারি অস্ত্র হিসেবে ২টি 7.62mm লাইট মেশিনগান ও ১টি 12.7mm ভারী মেশিনগান থাকে ।

ছবিতে Type-62 লাইট ট্যাংক

Type-62 লাইট ট্যাংক অত্যান্ত বাজে মানের ট্যাংক এবং এটি বর্তমান সময়ের উপযোগী না । এর মোবিলিটি , ফায়ার পাওয়ার ও আর্মার একদমেই বাজে মানের ।
.
Type-62 লাইট ট্যাংকের মেইন ৮৫ মি .মি . গান দ্বারা মাত্র ১২০০ মিটার পর্যন্ত গোলাবর্ষন করা যায় ।
.
যেখানে বর্তমান সময়ের আধুনিক লাইট ট্যাংকের মেইন গান দ্বারা ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত গোলাবর্ষন করা যায় সেখানে Type-62 লাইট ট্যাংক দ্বারা মাত্র ১২০০ মিটার পর্যন্ত গোলাবর্ষন করা যায় !!
.
এবার বুঝেছেন এর ফায়ার পাওয়ার কতটা নিম্ন ও বাজে মানের !
.
অর্থাৎ আপনি শত্রুর ট্যাংক ১২০০ মিটার দূর থেকে টার্গেট করছেন আর শত্রুরা আপনাকে ৪ কিঃমিঃ দূর থেকে টার্গেট করে ধ্বংস করে দেয়ার সুযোগ থাকছে ।
.
.
এই Type-62 লাইট ট্যাংকের আর্মারের কথা বিস্তারিত জানতে চাইয়া লজ্জা দিবেন না।


এর আর্মারের অবস্থা এতটাই বাজে যে যদি এই ট্যাংক লক্ষ্য করে ২-৩টা RPG বা রকেট লঞ্চার নিক্ষেপ করা যায় তাহলে এই ট্যাংক ধ্বংস হয়ে যাবে ।
.
আর শত্রুরা যদি অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইল নিক্ষেপ করে তাহলে এই Type-62 ট্যাংক যে শুধু ধ্বংস হবে তাই না বরং এই ট্যাংক আলুর ভর্তা হয়ে যাবে ।
.
.
একবার চিন্তা করে দেখুন কতটা জঘন্য মানের ট্যাংক সেনাবাহিনী অপারেট করছে !! এরপরেও এদের কথা অনুযায়ী বাংলাদেশে সব আধুনিক ট্যাংক ব্যবহার করে !
আসলে আধুনিক শব্দটা দিয়ে এরা জাতি কে ঠিক কি বুঝ দিতে চায় তা নিয়ে সন্দেহ আছে।
.
.
বর্তমানে যা অবস্থা তাতে আগামী ৫ বছরেও নতুন কোন ট্যাংক কেনা হবে কিনা তার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারছে না। আবার দেখা যাবে ট্যাংক কেনা হয়েছে কিন্তু সংখ্যাটা যথেষ্ট না।
.
.
.
তাছাড়া আমাদের দেশের বিভিন্ন ডিফেন্স গ্রুপ বা পেইজ বেশকিছু মানসিক রুগী ও ফেসবুক প্রতিবন্ধী এডমিন ও মানুষের দেখা পাবেন যাদের কাছে এই এসব মুড়ির টিন খুব আধুনিক ।
.
এইসব ফেসবুক প্রতিবন্ধী ও মানসিক রুগী এডমিন ও মানুষরা প্রচন্ড তেলবাজি করতে পারে সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ।
এদের আবেগ এতটাই বেশি যে তারা সেই ২০১৬ সাল থেকে প্রতিদিন রাতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্নদোষের মধ্যে দুনিয়ার সব অত্যাধুনিক ট্যাংক কিনে ফেলছে ।
.
.
.
[] আপনাদের যদি Type-62 ট্যাংকের মান নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে একবার খোজ নিয়ে দেখতে পারেন এর মান কতটা জঘন্য ।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *